"হাসিনার পতনে সবচেয়ে খুশি কে?"
"শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পতনে সবচেয়ে খুশি কে? প্রথম স্থানে আছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ৪২ বছর ধরে গণতন্ত্রের সংগ্রাম এবং বিরোধী সরকারের নির্যাতন মোকাবিলার মাধ্যমে তিনি আমাদের জন্য একটি অনুকরণীয় আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নোবেল বিজয়ী এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের অনারারি সদস্য ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শেখ হাসিনা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে, তাকে জেলে পাঠানোর এবং আন্তর্জাতিকভাবে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হিংস্রতার কারণে তিনি পদ্মা সেতু থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি পেয়েছিলেন এবং তার প্রধানমন্ত্রিত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন।
যারা বেগম জিয়াকে চেনেন, তারা জানেন, তিনি মৃত্যুর আগেই শেখ হাসিনার পতন দেখতে চেয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তার এই স্বপ্ন পূরণ করেছেন। শেখ হাসিনা তার অশান্তিকর শাসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানোর এবং চিকিৎসা না দিয়ে অসুস্থ বানানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু, তিনি ছাত্র-জনতার তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে, রাজনৈতিক পরাজয় ও আন্তর্জাতিক ধিক্কারের সম্মুখীন হয়েছেন।
অন্যদিকে, বেগম জিয়া আজও জীবন্ত কিংবদন্তি হিসেবে বিরাজমান। তার দেশনেত্রী উপাধি আরও শক্তিশালী হয়েছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য তার অক্লান্ত সংগ্রাম এবং বারংবার বন্দিত্ব সহ্য করার জন্য তাকে স্মরণ করা হবে।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ সুরা ইয়াসিন-এ বলেছেন যে, তিনি সব কিছু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। সুরা কাহাফ-এ মানব জীবনের উদাহরণ এবং উপমা রেখে গেছেন। ৮০-এর দশক থেকে বেগম জিয়া এবং শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে দুটি ভিন্ন চরিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন—একজন মজলুম এবং একজন জালেম। আল্লাহ মানুষের মন তৈরি করেছেন, এবং তাদেরকে ভালো-মন্দ বুঝতে সক্ষম করেছেন।
শেখ হাসিনার পরিণতি ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান কোরআনের সুরা কাসাস-এর ৪, ৫, ৬ আয়াতে ফিরআউন সম্পর্কে বর্ণিত ঘটনা অনুসারে, দুর্বলদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের ইঙ্গিত বহন করে। ছাত্র-জনতা আজ সেই দুর্বল দলের প্রতিনিধি, যারা আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করেছে।"

0 Comments