"ইসলামী ব্যাংকের তিন শীর্ষ কর্মকর্তা পলাতক রয়েছেন"
বেনামি প্রতিষ্ঠান খুলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, একাধিক ডেপুটি গভর্নর ও সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা উত্তোলন করতেন ডিএমডি আকিজ উদ্দিন। নিয়োগ ও চাকরি বাতিলের ক্ষেত্রে তার কর্তৃত্বের পাশাপাশি গভর্নর ও সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ম্যানেজ করতেন আকিজ উদ্দিন। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিশেষ করে আমদানি-রফতানি মাধ্যমে এস আলমের কোটি কোটি টাকা পাচারের সহযোগিতা করতেন ইসলামী ব্যাংকের আরেক ডিএমডি মিফতা উদ্দিন। তার ভয়ে অধীন কর্মকর্তারা তটস্থ থাকতেন। যাদের দ্বারা পাচারে বাধা দেওয়া হতো, তাদের রাজাকার বা জামায়াত-শিবিরের তকমা দিয়ে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হতো। মিফতা উদ্দিনও তিন দিন ধরে অফিসে আসছেন না।
f ff
ইসলামী ব্যাংকের বিদেশি শেয়ার বিক্রি ও এস আলমের বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে শেয়ার কেনার কাজে সহযোগিতা করতেন জেকিউএম হাবিবুল্লাহ, যিনি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি। বেনামি ঋণ সৃষ্টি করে বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে এস আলমের নামে শেয়ার কিনতে সহযোগিতা করেন তিনি এবং কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। হাবিবুল্লাহও অফিসে আসছেন না এবং ছুটি নেননি।
ff fff
প্রসঙ্গত, সোমবার (৫ আগস্ট) শেখ হাসিনা সরকারের পতনের অনেক আগে থেকেই এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম) বিদেশে অবস্থান করছেন। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে টাকা লুট করে সিঙ্গাপুরে সাম্রাজ্য গড়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। নতুন করে সরকারের বিদায়ের পরও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে টাকা সরানোর চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
.jpg)
0 Comments