এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) দখলে নিয়েছেন মেজর রেজাউল হক।

এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) দখলে নিয়েছেন মেজর রেজাউল হক। 

 

সরকার পতনের পর বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। আর্থিক খাতের অভিভাবক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের পালিয়ে যাওয়ার ফলে ব্যাংকগুলোতে হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই অস্থিরতার প্রভাব বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিতেও পড়েছে।


ব্যাংক খাতের মালিকানা পুনরুদ্ধার, অর্থপাচারে সহায়তাকারীদের অপসারণ ও অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ব্যাংকগুলোতে বিক্ষোভ চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংকেও গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে অস্থিরতা ও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। বিতর্কিত চট্টগ্রামভিত্তিক শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) দখলে নিয়েছেন মেজর রেজাউল হক। আগের মালিকানা পুনরুদ্ধারের জন্য বেসরকারি খাতের বিভিন্ন ব্যাংকে বিক্ষোভ চলছে। ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংকে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। 

এছাড়া রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকেও কর্মকর্তারা বৈষম্যের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন। এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাংকগুলোতে আগের মালিকানা ফিরে পাওয়ার জন্য প্রতিবাদ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকও দখল হতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে। 


২০১৭ সালে বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে যাওয়া ইসলামী ব্যাংকে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহীদের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চলছে। ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তারাও ব্যাংক খোলার পরপরই বেনামী ঋণ উত্তোলন ঠেকানোর চেষ্টা করেছেন। 

f ff

অপরদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার অফিসে আসেননি, এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি গ্রহণে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সাময়িক নিরাপত্তার স্বার্থে গত বৃহস্পতিবার ব্যাংক থেকে ১ লাখ টাকার বেশি তোলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদিও গ্রাহকরা নগদ টাকা স্থানান্তর ও ডিজিটাল লেনদেন করতে পারছেন।

Post a Comment

0 Comments