ইসলামী ব্যাংক থেকে সরে যাচ্ছেন এস আলম গ্রুপের কর্মকর্তারা।
সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকে বড় পরিবর্তন শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকের নেতৃত্বে থাকা এস আলম গ্রুপের নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হঠাৎ বিদায় নিচ্ছেন। শীর্ষ পদে থাকা অন্তত চারজন কর্মকর্তাকে ব্যাংক ছাড়তে হচ্ছে, এর মধ্যে ব্যাংকের এএমডি মুহাম্মদ কায়সার আলী ৭ আগস্ট পদত্যাগ করেছেন। এছাড়া, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) মো. আকিজ উদ্দিন চৌধুরী ও মিফতাহ উদ্দিন গত দুই দিন ধরে ব্যাংকে আসছেন না।
ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, এস আলম গ্রুপের হয়ে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে থাকা কর্মকর্তারা এখন চলে যেতে শুরু করেছেন। বুধবার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মনিরুল মাওলার কাছে একজন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
এছাড়া, ব্যাংকের আরেক ডিএমডি রেজাউর রহমানকে মারধর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এস আলমের ‘বিশেষ কৃপায়’ প্রমোশন পাওয়া চার-পাঁচ জনকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
ব্যাংকটি এখন তাদের জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত কর্মীদের পুনর্বহালের সুযোগ দিতে যাচ্ছে। ৬ আগস্ট জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চাকরিচ্যুত কর্মীদের পুনরায় চাকরিতে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। এ আদেশে সই করেছেন ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলী।
ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, এস আলম গ্রুপের হয়ে ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে থাকা কর্মকর্তারা এখন চলে যেতে শুরু করেছেন। বুধবার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মনিরুল মাওলার কাছে একজন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
এছাড়া, ব্যাংকের আরেক ডিএমডি রেজাউর রহমানকে মারধর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এস আলমের ‘বিশেষ কৃপায়’ প্রমোশন পাওয়া চার-পাঁচ জনকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
ব্যাংকটি এখন তাদের জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত কর্মীদের পুনর্বহালের সুযোগ দিতে যাচ্ছে। ৬ আগস্ট জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চাকরিচ্যুত কর্মীদের পুনরায় চাকরিতে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। এ আদেশে সই করেছেন ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলী।
ইসলামী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আনিসুর রহমান জানান, ২০১৭ সালের পর পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল করা হবে। এছাড়া, গত সাত বছরে পদোন্নতি বঞ্চিতদের যথাযথ পদোন্নতি দেওয়া হবে।
জামায়াতে ইসলামী একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ব্যাংকটির আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার পরামর্শ দিয়েছে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তা সায় দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিক্ষোভের কারণে ৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু কর্নার ভাঙচুর এবং মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের মারধর করা হয়। সিবিএ নেতা আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, ২০১৭ সালের পর ব্যাংকে যোগ দেওয়া নির্বাহীরা আর ঢুকতে পারবেন না।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকে জামায়াতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে আসার পর ব্যাংকটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

0 Comments